খাদ্যে অ্যালার্জি : চিকিৎসা ও প্রতিকার

0
50
ইপিনেফ্রিন ইনজেকশনটার্ম মুছে ফেলুন: ইলিশ ইলিশটার্ম মুছে ফেলুন: এন্টিহিস্টামিন এন্টিহিস্টামিনটার্ম মুছে ফেলুন: কচু কচুটার্ম মুছে ফেলুন: কলা কলাটার্ম মুছে ফেলুন: ক্রমোলিন ক্রমোলিনটার্ম মুছে ফেলুন: গরুর গোশত গরুর গোশতটার্ম মুছে ফেলুন: গরুর দুধ গরুর দুধটার্ম মুছে ফেলুন: চিংড়ি চিংড়িটার্ম মুছে ফেলুন: ডিম ডিমটার্ম মুছে ফেলুন: নাক দিয়ে পানি পড়া নাক দিয়ে পানি পড়াটার্ম মুছে ফেলুন: নাক বন্ধ বন্ধ ভাব নাক বন্ধ বন্ধ ভাবটার্ম মুছে ফেলুন: নাকে ও গলাতে চুলকাতে থাকে নাকে ও গলাতে চুলকাতে থাকেটার্ম মুছে ফেলুন: পুটি পুটিটার্ম মুছে ফেলুন: বেগুন বেগুনটার্ম মুছে ফেলুন: শ্বাসনালিতে শ্বাসকষ্ট শ্বাসনালিতে শ্বাসকষ্ট
খাদ্যে অ্যালার্জি : চিকিৎসা ও প্রতিকার

নানা রকম খাদ্য আমরা খেয়ে থাকি। এটি আমাদের শরীরে কাজে লাগে বা ভেতরে ঢোকে এবং তার বিরুদ্ধে অতি বা পরিবর্তিত এবং বর্ধিত প্রতিক্রিয়া শরীরে হলে তাকে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া বলে। গরুর দুধ, গরুর গোশত, ডিম, কলা, বেগুন, চিংড়ি, ইলিশ মাছ- আমরা সবাই খাই। কেউ কেউ এসব খেয়ে পেটে ব্যথা, হাঁপানি বা সর্দিতে ভোগেন।

এগুলোই খাদ্যে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন। ৬ থেকে ৮ ভাগ শিশু এবং ১ থেকে ২ ভাগ বৃদ্ধ সচরাচর খাদ্যে অ্যালার্জিতে ভোগে থাকেন। তবে জন্ম হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।

যেসব খাদ্য থেকে এলার্জি হয়ে থাকে- গরুর দুধ, ডিম, বাদাম, সয়াবিন, ইলিশ, চিংড়ি, পুটি, বোয়াল, শৈল, বেগুন, কুমড়া, কচু ইত্যাদি। খাদ্যে অ্যালার্জিজনিত লক্ষণগুলো শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে দেখা দেয়। যেমন- ত্বকে বা চামড়াতে চুলকাতে থাকে এবং সঙ্গে সঙ্গে চাকা হয়ে লাল হয়ে উঠে। চোখ চুলকায়, পানি পড়ে, লাল হয়ে ফুলে উঠে।

উপরের শ্বাসনালিতে, নাকে ও গলাতে চুলকাতে থাকে, গলা ফুলে গেছে বলে মনে হয়, এমনকি কথা বলার সময় অসুবিধা হয়, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ বন্ধ ভাব, অনেক সময় শব্দও থাকে। নিচের শ্বাসনালিতে শ্বাসকষ্ট, কাশি, দম খাট খাট ভাব, বাঁশির মতো আওয়াজ হয়। পরিপাকতন্ত্রে বমি বমি ভাব, পেটে ক্র্যাম্প বা ব্যথা, ডায়রিয়া দেখা যায়। জননতন্ত্রে-স্ত্রী ও পুরুষ অঙ্গে চুলকাতে থাকে ও ইউটেরাসে ক্যাম্প বা ব্যথা শুরু হয়। মাথাব্যথা ও রক্তের চাপও কমে যেতে পারে।

চিকিৎসা :

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অ্যালার্জিক খাবার চিহ্নিত করে তা খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে সর্বোত্তম চিকিৎসা। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ দিয়েও চিকিৎসা করা হয়। এদের মধ্যে মুখে খাওয়ার ক্রমোলিন, এন্টিহিস্টামিন, ইপিনেফ্রিন খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখে। রোগীদেরও রোগ সম্বন্ধে ধারণা ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যাপারে ধারণা দিতে হবে। যেমন যে খাদ্যদ্রব্য থেকে অ্যালার্জি হয়ে থাকে তা বাসার খাবার থেকে সাধারণত পরিহার করা হয়।

সমস্যা দেখা দেয় যখন তাকে বাড়ির বাইরে খেতে হয় যথা কোনো অনুষ্ঠানে বা হোটেলে তখন সেখানে যারা রান্নার দায়িত্বে ছিলেন তাদের জিজ্ঞাসা করতে হবে এ খাবারগুলোতে কী কী আছে অথবা অ্যালার্জিক খাবারগুলো আছে কিনা তা জেনে অ্যালার্জিক খাবারগুলো বাদ দিয়ে খেতে হবে। বড়দের ইপিনেফ্রিন ইনজেকশন নেয়ার কৌশল শিখিয়ে দিতে হবে এবং সব সময় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিতে হবে।

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস
এলার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা
দৈনিক যুগান্তর , ০৪ অক্টোবর ২০১৮

LEAVE A REPLY