শিশুদের অ্যালার্জি থেকে দূরে রাখার উপায়

0
34
গরুর দুধটার্ম মুছে ফেলুন: বাদাম বাদামটার্ম মুছে ফেলুন: ময়দা ময়দাটার্ম মুছে ফেলুন: সামুদ্রিক মাছ সামুদ্রিক মাছটার্ম মুছে ফেলুন: ধুলাবালি ধুলাবালিটার্ম মুছে ফেলুন: ধোঁয়া ধোঁয়াটার্ম মুছে ফেলুন: পরাগরেণু পরাগরেণুটার্ম মুছে ফেলুন: অ্যাজমা অ্যাজমাটার্ম মুছে ফেলুন: মাইট মাইটটার্ম মুছে ফেলুন: মোল্ড মোল্ডটার্ম মুছে ফেলুন: অ্যালার্জি অ্যালার্জিটার্ম মুছে ফেলুন: হাঁচি হাঁচিটার্ম মুছে ফেলুন: চুলকানি চুলকানি
শিশুদের অ্যালার্জি থেকে দূরে রাখার উপায়

কোনো শিশু অ্যালার্জি বা অ্যাজমাতে আক্রান্ত হবে কিনা তা নির্ভর করে মূলত তার জেনেটিক ও পরিবেশের ওপর। পরিবেশগত বিষয়গুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে পারি।

খাদ্যাভ্যাসের ওপরও শিশুদের অ্যাজমা ও অ্যালার্জির সম্পর্ক রয়েছে। যে শিশু নিয়মিত (৬ মাস) মায়ের বুকের দুধ পান করে তাদের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক কম।

মায়ের অ্যালার্জিক খাদ্য গ্রহণের ওপরও নবজাতক ভবিষ্যতে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হবে কি না নির্ভর করে। টিনজাত দুধ যে শিশুরা খেয়েছে তারা বড় হয়ে অ্যাজমাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

শিশুর জন্মের প্রথম ১২ মাস গরুর দুধ, বাদাম, ময়দা ও সামুদ্রিক মাছ না খাওয়ানো ভালো। জন্মের পর থেকে কয়েক মাস যে শিশুরা ধুলাবালি, ধোঁয়া,পরাগরেণু, মাইট, মোল্ড ইত্যাদির সংস্পর্শে আসে তাদের পরবর্তীতে অ্যাজমা, অ্যালার্জি, একজিমা হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।

এগুলো প্রতিরোধের জন্য মুখে ফিল্টার মাস্ক পরিধান করা উচিত। যে শিশুরা শৈশব থেকেই ওজনাধিক্য বা স্থূলতায় আক্রান্ত এবং ফাস্ট ফুড ও সফট ড্রিংকস খাওয়ার অভ্যাস আছে তারাও বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হতে পারে।

যে শিশুরা এটোপি অর্থাৎ জন্ম থেকেই ত্বক শুষ্ক, হাঁচি, চুলকানিতে ভোগে তারাও অ্যাজমা ও স্যালটিজতে ভুগে থাকে। অ্যালার্জি টেস্ট করে ও এর মাত্রা জেনে অ্যালার্জেন থেকে দূরে থাকা অ্যালার্জি প্রতিরোধের অন্যতম উপায়।

আরও জানুন ঃ  কখন সন্তানের হাতে মোবাইল দেবেন? 

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
পান্থপথ, ঢাকা।
দৈনিক যুগান্তর , ০৬ নভেম্বর ২০১৮

LEAVE A REPLY