সম্পর্ক নষ্ট করে রাগ

0
50
সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরিটার্ম মুছে ফেলুন: মেনে চলুন কয়েকটি বিষয় মেনে চলুন কয়েকটি বিষয়টার্ম মুছে ফেলুন: দুজনের বোঝাপড়ায় হতে পারে ঝামেলা দুজনের বোঝাপড়ায় হতে পারে ঝামেলাটার্ম মুছে ফেলুন: সঙ্গীর প্রতি সৃষ্টি হয় চাপ সঙ্গীর প্রতি সৃষ্টি হয় চাপটার্ম মুছে ফেলুন: সম্পর্ক নষ্ট করে রাগ সম্পর্ক নষ্ট করে রাগ
সম্পর্ক নষ্ট করে রাগ

চলার পথে আমরা যতই যুক্তি মেনে চলি না কেন, প্রায়শই আমরা আবার আবেগতাড়িতও হয়ে পড়ি। আনন্দ, বেদনা, ক্ষোভ কিংবা রাগ সব মিলিয়ে হাজারও আবেগ কিংবা অনুভূতি আমাদের মধ্যে কাজ করে। এমনকি কখনও কখনও যুক্তির চেয়েও এই আবেগটাই হয়ে যায় প্রধান। কিন্তু সেটা কতটা ইতিবাচক? বিশেষ করে আপনার ক্রোধ কিংবা অল্পতেই রেগে যাবার প্রবণতা? আর সেটা যদি হয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে, তাহলে কিন্তু এর নেতিবাচক প্রভাবটাই বেশি।

দুজনের বোঝাপড়ায় হতে পারে ঝামেলা

আপনার সঙ্গীকে অবশ্যই আপনার মানসিকতা বুঝতে হবে। কিন্তু সেটা কতক্ষণ? আপনি যদি মাত্রাতিরিক্ত খিটমিট করেন তাহলে সেটা শুধু আপনার সঙ্গীর জন্যই না, বরং আপনার নিজের জন্যও ক্ষতিকর। এতে আপনাদের দুজনের বোঝাপড়ায় বিভেদ তৈরি হবে। আপনি নিজেও রাগের কারণে সঙ্গীকে বোঝাতে ব্যর্থ হবেন। ফলে একটি পর্যায়ে আপনাদের দুজনের মধ্যে আলোচনা বা শেয়ারের যেই বিষয়টি কমে আসবে।

সঙ্গীর প্রতি সৃষ্টি হয় চাপ

সম্পর্কটা আপনাদের দুজনের। তাই অপরপক্ষের কথাও আপনাকে বিবেচনায় রাখতে হবে। আপনি যদি বেশিরভাগ সময়েই খিটমিট করতে থাকেন তাহলে এটি আপনার সঙ্গীর জন্য এক ধরনের মানসিক চাপ তৈরি করবে। তাকেও সুযোগ দিতে হবে বলার। না হলে একপর্যায়ে দেখা দেবে বিরক্তি এবং হতাশা।

সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি

আপনি যখন অপরপক্ষকে বলার সুযোগ দেবেন না এবং কোন কিছু চাপিয়ে দেবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই দেখা দেবে দূরত্ব। এই দূরত্বই সম্পর্কে ইতি টানতে পারে। এবং এর ফলে দিন শেষে কষ্ট পাবেন আপনি নিজেই। তাই সময় থাকতেই রেগে যাবার এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

মেনে চলুন কয়েকটি বিষয়

কাউকে দোষারোপ করার আগে নিজেকে বুঝুন। সার্বিক পরিবেশ, পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রতিটা মানুষেরই দোষত্রুটি থাকে। নিজের দোষগুলো খুঁজে দেখুন। আর সঙ্গীর দোষগুলো বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন। শুধু প্রেমের সম্পর্কেই নয়, যে কারও ক্ষেত্রেই পুরো পরিস্থিতি বুঝে আচরণ করুন।

কেন আপনি অল্পতেই রেগে যাচ্ছেন? এর পেছনের কারণগুলো ভেবে দেখেছেন কখনও? অনেক সময় কাজের চাপ, পরিবার সব মিলিয়ে মানসিক চাপ কাজ করে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে রগচটে স্বভাবটি থাকে বংশগত। তাই যেমনটাই হোক, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। সময় দিন নিজেকে। নিজের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

যে কথাগুলো একবার বলা হয়ে যায়, তা আপনি চাইলেও আর ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। বিষয়টি মাথায় রেখেই আচরণ করুন। হ্যাঁ, ভুল হলে আপনি ক্ষমা চাইতেই পারেন। কিন্তু তাই বলে বার বার নয়। এর ফলে আপনি নিজেকেই ছোট করছেন।

দৈনিক জনকন্ট,২৯ জুলাই ২০১৮

LEAVE A REPLY