সারা দিন ক্লান্ত লাগে?

0
51
টার্ম মুছে ফেলুন: ক্লান্তি বাড়ে ক্লান্তি বাড়েটার্ম মুছে ফেলুন: স্ট্রেস হরমোন স্ট্রেস হরমোনটার্ম মুছে ফেলুন: স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময় স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময়টার্ম মুছে ফেলুন: মানবসেবায় নিয়োজিত হওয়া মানবসেবায় নিয়োজিত হওয়াটার্ম মুছে ফেলুন: ক্লান্তি ও অবসাদ কমাতে ক্লান্তি ও অবসাদ কমাতেটার্ম মুছে ফেলুন: ক্যালরি ও প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও প্রয়োজনীয়
সারা দিন ক্লান্ত লাগে?

সারা দিন খুব ক্লান্ত লাগে, অবসন্ন লাগে? কোনো কাজ করতে মন চায় না? মনে হয় কেবল বিশ্রাম নিই। শরীর ব্যথা করে, ম্যাজম্যাজ করে। ঘুম ঘুম ভাব হয়।

আজকাল রোগীরা প্রায়ই এমন সব সমস্যার কথা বলেন। আদিম যুগে মানুষ শিকারি ছিল, বৈরী পরিস্থিতির সঙ্গে যুদ্ধ করতে হতো। তখন তাকে সাহায্য করত নানা স্ট্রেস হরমোন, যেমন কর্টিসল, এপিনেফ্রিন ইত্যাদি। বর্তমানে মানুষের স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ধরন আলাদা। এখনো প্রচুর স্ট্রেস হরমোন তৈরি হয় বটে, কিন্তু তা আগের মতো খরচ হয় না। এই স্ট্রেস হরমোনের ক্ষতিকর প্রভাবে আমাদের রক্তে শর্করা, রক্তচাপ বাড়ে, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে, অবসাদ বাড়ে, বিষণ্নতা বাড়ে, এমনকি ওজনও বাড়ে।

আরও জানুন ঃ জীবন গোছান সহজে

স্ট্রেস হরমোনের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি লাভের উপায় হলো

1.মানসিক চাপ কমানো ।

2.নিয়মিত ব্যায়াম বা পরিশ্রম করে হরমোনের লাগাম টেনে ধরা ।

3.সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও যথেষ্ট ঘুম।

4.প্রার্থনা, যোগব্যায়াম ।

5.মানবসেবায় নিয়োজিত হওয়া ।

6.গাছপালা বা পশুপাখির পরিচর্যা ।

7.পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানো, ঘুরতে যাওয়া।

এমন নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আপনি স্ট্রেস হরমোন কমাতে পারেন। ভাবছেন সারা দিন এত পরিশ্রম করি, তারপর আবার ব্যায়াম? আসলে এই নিত্যনৈমিত্তিক পরিশ্রমে স্ট্রেস হরমোন খরচ হয় না, বরং ক্লান্তি বাড়ে।

স্ট্রেস হরমোন কমাতে

সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ৩০ মিনিট করে এমনভাবে হাঁটতে হবে, যাতে হৃৎস্পন্দন বাড়ে, রক্ত চলাচল বাড়ে। যত কাজই থাকুক, রাতে নিশ্ছিদ্র ঘুম চাই ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। ঘুমের আগে ফেসবুক, মুঠোফোন, টিভি দেখা বন্ধ করুন।

থাইরয়েড হরমোন, সেক্স হরমোন, ভিটামিন ডি

থাইরয়েড হরমোন, সেক্স হরমোন, ভিটামিন ডি কমে গেলেও ক্লান্তি ও অবসাদ দেখা দেয়। রক্তশূন্যতাও হতে পারে একটি কারণ। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে আপনার ক্লান্তি ভাব আসবেই। কিছু ওষুধ শরীরের লবণ-পানি কমিয়ে দেয় ও অবসাদগ্রস্ত করে তোলে। তাই এসব দিকেও খেয়াল রাখুন।

ক্লান্তি ও অবসাদ কমাতে

প্রথমে প্রয়োজন আপনার সচেতনতা। বিভিন্ন খাবারের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানুন। ক্যালরি ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন খনিজের মাত্রা বুঝে খাবার বেছে খান। জাঙ্ক ফুড, কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত ব্যায়াম করে স্ট্রেস হরমোন ঝেড়ে ফেলুন। ঘুমের ব্যাপারে কোনো আপস নয়। স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময় জীবনযাপনের চেষ্টা করুন। এরপরও ক্লান্তিবোধ দূর না হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল                                      দৈনিক প্রথম আলো,০৮ অগাস্ট ২০১৮

LEAVE A REPLY